ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল জয়ের পর “Las Malvinas son Argentinas” (ফকল্যান্ড আর্জেন্টিনার) লেখা ব্যানার প্রদর্শন করায় আর্জেন্টিনার কয়েকজন খেলোয়াড় ফিফার শাস্তির মুখে পড়তে পারেন।
এর প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাজ্য সরকার কড়া বার্তা দিয়ে বলেছে, “বিশ্বকাপ হয়তো আমাদের নয়, কিন্তু ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ অবশ্যই আমাদের।”
ডাউনিং স্ট্রিটের মুখপাত্র বলেন, ফকল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার দ্বীপটির বাসিন্দাদের এবং যুক্তরাজ্য তাদের প্রতি প্রতিশ্রুতিতে অটল থাকবে। একই সঙ্গে তিনি জানান, খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সেটি ফিফার সিদ্ধান্ত।
১৯৮২ সালে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মধ্যে ৭৪ দিনের যুদ্ধ হয়েছিল। ওই যুদ্ধে ২৫৫ জন ব্রিটিশ সেনা, তিনজন দ্বীপবাসী এবং ৬৪৯ জন আর্জেন্টাইন সেনা নিহত হন। যুদ্ধের পর থেকে দ্বীপপুঞ্জটি যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
২০১৩ সালের গণভোটে ফকল্যান্ডের ৯৯.৮ শতাংশ ভোটার ব্রিটিশ ওভারসিজ টেরিটরি হিসেবেই থাকার পক্ষে ভোট দেন।
এদিকে লিবারেল ডেমোক্র্যাট নেতা স্যার এড ডেভি ব্যানার প্রদর্শনকারী আর্জেন্টিনা খেলোয়াড়দের বিশ্বকাপের ফাইনাল থেকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন। অপরদিকে কনজারভেটিভ নেতা কেমি ব্যাডেনক বলেন, “ফকল্যান্ড ব্রিটিশ ছিল, আছে এবং থাকবে।”
সূত্র: BBC




