২০২৬ সালের কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে নরসিংদীর গ্রীন এগ্রো ফার্মস প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন করা প্রায় ২০০টি ছোট-বড় গরু নিয়ে প্রস্তুত রয়েছে। চরের ঘাস ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাইয়ে খামারিরা এগুলো প্রস্তুত করেছেন।
বিভিন্ন আকারের ও জাতের প্রায় ২০০টি গরুর সমাহার। অনলাইনে বুকিং এবং ফ্রি হোম ডেলিভারির সুবিধা। এছাড়াও নরসিংদী জেলায় ২০২৬ সালের কোরবানির জন্য প্রায় ৮৫ হাজার ৯০৫টি গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে।
২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করা গ্রীন এগ্রো ফার্ম নামে ওই খামারে বর্তমানে প্রায় ২০০টি গরু রয়েছে।
সরেজমিন ঘুরে জেলার বিভিন্ন খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আসন্ন কোরবানির ঈদকে ঘিরে প্রতি বছরের মতো এবারও গরু-মহিষসহ কোরবানির পশু মোটাতাজাকরণ করা হচ্ছে। ঈদ ঘনিয়ে আসায় পশুর যত্নে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক ও গরুর খামারিরা। অনেকে ছয় থেকে ১১ মাস আগে দেশের পশুর বিভিন্ন হাট ঘুরে গরু, মহিষ ও ছাগল কিনে লালনপালন শুরু করেন। খামারীদের পাশাপাশি লাভের আশায় পারিবারিকভাবেও অনেক কৃষক গরু, ছাগল ও মহিষ মোটাতাজা করছেন।
বিশেষ করে গরু মোটাতাজা করা হয়েছে দেশীয় খাবার খৈল, কুড়া, চালের খুদ, ছোলা, সয়াবিন, ভুষি, কাঁচা ঘাস ও খড় খাইয়ে। মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক ও পশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ কোনো ওষুধ তারা গরুকে খাওয়ান না। কারণ তাতে গরুর জন্য মৃত্যু ঝুঁকি হতে পারে। যেকোনো মুহূর্তে গরু মারা গেলে লোকসানের আশঙ্কা থাকে। তবে গো খাদ্যের দাম বাড়ার কারণে পশুর লালন পালন খরচ বেড়েছে বলে জানান খামারিরা।
খামার মালিক আহসান সিকদার বলেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরামর্শ অনুযায়ী সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসম্মত ও প্রাকৃতিক উপায়ে গরুগুলো লালন-পালন করা হচ্ছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ছাইফুল ইসলাম বলেন, গ্রীন এগ্রো ফার্মে গিয়ে গরুগুলো দেখেছি।
এ বছর নরসিংদী জেলায় কোরবানির জন্য ৮৫ হাজার ৯০৫টি গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে। জেলার চাহিদা ৭৮ হাজার ৬৪৫টি। অতিরিক্ত প্রায় ৭ হাজার ২৬০টি পশু পার্শ্ববর্তী জেলার চাহিদা পূরণে সরবরাহ করা হবে। খামারিদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।





