প্রবীণ নাগরিকদের আর্থিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, প্রবীণদের জন্য বয়স্ক ভাতা সম্প্রসারণের পাশাপাশি ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার বিস্তার এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এবারের আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের প্রতিপাদ্য—‘দীর্ঘায়ুর যুগ: দীর্ঘ জীবন নিশ্চিত করতে ব্যবস্থাপনায় নতুন ভাবনা’।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতি ও মানুষের স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধির ফলে বিশ্বজুড়ে মানুষের গড় আয়ু বাড়ছে। দীর্ঘায়ু যেমন নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে, তেমনি প্রবীণদের স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা ও পারিবারিক সহায়তার ব্যবস্থাগুলোকে সময়োপযোগী করার প্রয়োজনীয়তাও সামনে আনছে।
তিনি জানান, প্রবীণদের নিরাপদ ও সম্মানজনক জীবন নিশ্চিত করতে সরকার বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বয়স্ক ভাতার পরিমাণ ও উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানো এবং সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করা।
প্রবীণদের পরিবার ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁদের অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও প্রজ্ঞার ওপর দাঁড়িয়েই বর্তমান বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে। তাই পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র—তিন স্তরেই প্রবীণদের প্রতি সম্মান, সহানুভূতি ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখা জরুরি।
তিনি আরও বলেন, প্রবীণদের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা, সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রাখা এবং সামাজিক সুরক্ষা কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমন একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই সরকারের লক্ষ্য, যেখানে তরুণ থেকে প্রবীণ—প্রতিটি মানুষ মর্যাদাপূর্ণ ও পরিপূর্ণ জীবনযাপনের সুযোগ পাবে। তিনি ২০২৬ সালের ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের সার্বিক সফলতা কামনা করেন।





