জাতীয় জরুরি সেবার সক্ষমতা বৃদ্ধি, নতুন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন গঠন এবং বিভিন্ন ইউনিটে জনবল বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পুলিশ সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
সোমবার রাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে পুলিশ কর্মকর্তারা জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এর সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টিকে গুরুত্ব দেন। বর্তমানে একসঙ্গে ১০০টি কল গ্রহণের সুযোগ থাকলেও জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় আরও অন্তত ১০০ কল গ্রহণের সক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে শিল্পপুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, সিআইডি, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) ও চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠন এবং অতিরিক্ত জনবল নিয়োগের বিষয়ও তুলে ধরা হয়। কর্মকর্তারা জানান, প্রায় তিন কোটি মানুষের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে ডিএমপি। তাই এই ইউনিটে আরও ৬ হাজার ৫২৪ জন সদস্য নিয়োগের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ ছাড়া শিল্প পুলিশের জন্য ২ হাজারের বেশি নতুন পদ সৃষ্টির সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতিটি বিভাগীয় শহরে ডিজিটাল ল্যাব, ফরেনসিক ও ডিএনএ ল্যাব স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন কর্মকর্তারা।
বৈঠকে আরও চারটি নতুন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়। বর্তমানে দেশের সাতটি বিভাগে এই ইউনিটের কার্যক্রম রয়েছে বলে জানা গেছে।
পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সব দাবি একসঙ্গে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি না দিলেও যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত প্রস্তাবগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি জানান, জাতীয় জরুরি সেবার সক্ষমতা বাড়িয়ে একসঙ্গে ২০০ কল গ্রহণের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি ঢাকা বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের জন্য ৮০০ জন জনবল নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের পরিকল্পনাও রয়েছে।





